Press Release

“যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইএমএফ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী”
আগামি ৪ জুলাই ২০২৪ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাজ্যের সাধারণ সংসদীয় নির্বাচন। যুক্তরাজ্য ৬৫০টা নির্বাচনী কেন্দ্র বা এলাকায় বিভক্ত। এই প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা একজন সাংসদ নির্বাচন করেন যারা তাদের হয়ে ‘হাউস অফ কমন্স’-এ প্রতিনিধিত্ব করেন।নির্বাচনি ময়দানে লড়াই করতে নামা প্রার্থীদের মধ্যে অধিকাংশ কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি। তবে কেউ কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবেও ভোটে লড়েন। যুক্তরাজ্য ইলেক্ট্রোরাল কমিশনের অনুমোদনে উক্ত নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বাংলাদের বৃহত্তম নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংগঠন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী৷ ইতোমধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে এ প্রথম বাংলাদেশের কোনো সংস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।

তুরস্ক ইলেকশন কাউন্সিলের চেয়ারপারসনের বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ
তুরস্কের সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের চেয়ারপারসন আহমেদ ইয়ানির সাথে সাক্ষাৎ করেন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলি। আজ ২৪ জুন তুরস্কের আঙ্কারায় ইলেকশন ভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চেয়ারপারসন আহমেদ ইয়ানির বলেন, বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের অনেক ভালোবাসা। বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করতে বাংলাদেশ সফরে আমি আগ্রহী। এ সময় ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী তুরস্কের সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের চেয়ারপারসনকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক সেমিনারে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানালে তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের কার্যক্রমের চিত্র প্রত্যক্ষ করে তিনি সংগঠনের ভুয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন বেসরকারি এ ধরনের সংগঠন ব্যাপক কাজ করতে আমি কম দেখেছি, আগামীতে ইএমএফ এর সাথে তুরস্কের সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। এ সময় বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিবেদন উভয়ে বিনিময় করেন এবং চেয়ারপারসন আহমেদ ইয়ানির ইএমএফ চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন।

গত ৫ জুলাই ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪র্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম। ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকালে ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ হলেও ভোটার উপস্থিতি আশানরূপ হয়নি, শক্তিশালী প্রার্থী মাঠে না থাকলে ভোটারদের ভোটদানে আগ্রহ থাকে না। নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসলে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।

রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা থাকলে ইভিএম এ ত্রুটিমুক্ত নির্বাচন সম্ভব
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে ভোট প্রয়োগের পদ্ধতির স্বচ্ছতার জন্য তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পেশি শক্তির হাত থেকে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের মানুষের চেষ্টা ও সেক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা গ্রহণের সদিচ্ছা প্রতিফলনই হলো ইভিএম উদ্ভাবনের লক্ষ্য। নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার একটি সঠিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন সহায়ক পদ্ধতি। ভারত, ব্রাজিল, ভূটান, ভেনিজুয়েলায় সকল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, ফ্রান্স, পেরুসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদিও এই সকল দেশে ইভিএম ভোটারদের সনাক্ত করতে সক্ষম নয়, তবু নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার নির্বাচনকে অধিক নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ করতে সমর্থ্য হয়েছে। বাংলাদেশের ইভিএম ভোটার সনাক্ত করতে সক্ষম, যা অন্য কোন দেশের ইভিএম পারে না। ফলে এই মেশিনে ভোট হলে কেন্দ্র দখল করে ইচ্ছে মতো যত খুশি ভোট দেওয়া যাবে না। তেমনই একজনের ভোট অন্যজন দিতে পারবে না।
নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা থাকলে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ও ব্যবহৃত ইভিএমে নির্বাচনের মূলমন্ত্র “আমার ভোট, আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দিব” শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব। ভোটারের উপস্থিতি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না বিধায় ইভিএম-এ ভোট হলে ভোটারদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। তাই নির্বাচনে অনাস্থা দূরীকরণে ইভিএম-এর ভূমিকা অপরিসীম এবং রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা থাকলে ইভিএম এর মাধ্যমে স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।
এজন্য নির্বাচন কমিশনকে সুদৃঢ় এবং দায়িত্বশীল হয়ে তাদের উপর অর্পিত ক্ষমতার পূর্ণ প্রয়োগ করতে হবে। কমিশনের কাজে কোন ধরণের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকতে পারবে না। অপরপক্ষে প্রত্যেক রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনের সময় তাদের পোলিং এজেন্ট প্রদান সাপেক্ষে যথাযতভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদেরও সচেষ্ট থাকতে হবে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৩১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মোর্চা ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের উদ্যোগে অদ্য ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার, সুষ্ঠ-শান্তিপূর্ণ নির্বাচনঃ নাগরিক প্রত্যাশা” শিরোনামে গোল টেবিল বৈঠকে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে- ইসলামি আরবি বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আহসান উল্লাহ, বুয়েটের উপ-উপাচার্য ড. আব্দুল জব্বার খান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুন নূর দুলাল, ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ইভিএম বিশেষজ্ঞ ড. মাহফুজুল ইসলাম, একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাশ, লেখক-গবেষক ড. মুহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মো: আজাদুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: ইকবাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৩১টি পর্যবেক্ষক সংস্থা যথাক্রমে- সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন, তালতলা যুব উন্নয়ন সংগঠন, নব জাগরণ সংস্থা, আদর্শ পল্লী উন্নয়ন সংস্থা, খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থা, হাইলাইট ফাউন্ডেশন, রেক বাংলাদেশ, দরিদ্র ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সমাজ উন্নয়ন প্রয়াস (সউপ), ইয়ুথ ফর ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন, এল.আর.বি ফাউন্ডেশন, ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা, অগ্রদূত, ডেভেলপমেন্ট পার্টনার ডিপি, যুব উন্নয়ন সংস্থা, এসো জাতি গড়ি, অর্গানাইজেশন ফর সোস্যাল এডভান্সমেন্ট (উষা), মিতু সিতু এডুকেশন এন্ড চ্যারিটেবল, রূপনগর শিক্ষা সংস্থা, ভোলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন, এসোসিয়েশন ফর রাইট এন্ড পিস্, মুক্ত আকাশ বাংলাদেশ, ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন, ইচ্ছে ঘুড়ি ফাউন্ডেশন, এসো জাতি গড়ি বাংলাদেশ (এজিবি), সেবা সোসাল ফাউন্ডেশন, হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি।

ব্রাজিলে ত্রিশ বছর যাবৎ ইভিএম এর মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে
ত্রিশ বছর আগে ব্রাজিলের নির্বাচনেও বাংলাদেশের মত অবস্থা ছিলো। ব্যালট বক্স ছিনতাই, ভূয়া ভোটার, একজনের ভোট আরেকজন দেয়া, রক্তক্ষয় – সবই হতো। এরপর থেকে আমরা ইভিএম ব্যবহার করতে শুরু করলাম এবং এর ফলে নির্বাচনে সুষ্ঠু ধারা ফিরে এসেছে। এখন আমরা জানি যে, আমার ভোট আমিই দিতে পারবো এবং যে মার্কায় দিবো সেখানেই যাবে। আমাদের ইভিএম বহুবার অনেকের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। কেউ কোনো ত্রুটি বের করতে পারেনি। সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের যৌথ উদ্যোগে ‘কূটনৈতিকদের দৃষ্টিতে সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন ও ইভিএম ব্যবহার’ শীর্ষক মত বিনিময় সভায় ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের মাননীয় রাষ্ট্রদূত পাউলো ফানার্ডো জিয়াস ফেরেস উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
অদ্য ১৫ অক্টোবর, শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকা বনানীস্থ হোটেল সেরিনায় অনুষ্ঠিত সভায় রাষ্ট্রদূত নির্বাচন কালীন সরকার প্রশ্নে তিনি বলেন, এই ধারণাটি আমার কাছে বোধগম্য নয়। আমি আমার নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে বলতে পারি না যে- আপনি নির্বাচনের সময় ক্ষমতা ছেড়ে দিন, নির্বাচনের পরে আবার আসবেন। এটা বললে সংবিধান অবমাননা করা হয়। বাংলাদেশের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হবে এটা প্রত্যাশা করছি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া। নির্বাচনের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে না পেরে ঢাকা নিযুক্ত ভূটানের রাষ্ট্রদূত ‘রিনচেন কুয়েন্টসিল এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ভূটানের জাতীয় নির্বাচনসহ স্থানীয় সকল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হয়। সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে- ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান, ইসলামিক আরবি বিশ^বিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আহমেদ আবুল কালাম আজাদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ, জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আদালতের সাবেক বিচারক ড. মো: শাহ্জাহান, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এড. আব্দুর নূর দুলাল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এড. আবুল হাশেম, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মজুমদার, ইএমএফ পরিচালক মনির হোসেন, তানবীরুল ইসলাম মহসিন, ইকবাল বাহার।

নির্বাচন কমিশন গঠনে বিতর্ক না করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও সার্চ কমিটিকে সহযোগীতা করা নাগরিক সমাজের দায়িত্ব
একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃৃদ্ধি নির্ভর করে গণতান্ত্রিক সরকারের উপর। আর গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য সরকার উপহার দিবে শক্তিশালী, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। আগামী ২০২৩ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত ৩১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মোর্চা ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের উদ্যোগে অদ্য ৬ নভেম্বর, ২০২১ শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, নসরুল হামিদ মিলনায়তনে “নিরপেক্ষ-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন, সার্চ কমিটির ভূমিকা ও নাগরিক প্রত্যাশা” শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন- নির্বাচন কমিশন যত বেশী নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী হবে ততবেশী নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। নির্বাচনকালে রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী, প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের সকল প্রকার ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করবে। এক্ষেত্রে সংবিধানের- ১২৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে “নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।” এক্ষেত্রে সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য যেমন একটি দক্ষ শক্তিশালী নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন দরকার তেমনি নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমকে বেগবান ও গতিশীল করার জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, নির্বাচন কমিশনার ও প্রশাসনের ভেতরে একটি মেলবন্ধন থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে যেমন সরকারি দলের দায়িত্ব রয়েছে তেমনি সকল রাজনৈতিক দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের চিরাচরিত নিয়ম পরাজিত হলেই নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে দোষারোপ করা এবং নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা। যা গণতন্ত্র বিকাশে সহায়ক নয়।
ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলীর সভাপতিত্বে, বুয়েটের প্রো-ভিসি ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খানের পরিচালনায় গোল টেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, সাবেক সচিব উজ্জল বিকাশ দত্ত, সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. খুরশীদ আলম খান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ্যাড. আবুল হাশেম, একুশে পদক প্রাপ্ত সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাসগুপ্ত, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহম্মেদ আবুল কালাম।
অনুষ্ঠানে আগামী ২০২২ সালে গঠিতব্য নির্বাচন কমিশনের কমিশনারদের নিয়োগ কিভাবে হবে এবং সার্চ কমিটি কাদের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে সে বিষয়ে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের প্রস্তাব:- (১) সার্চ কমিটি ৫ সদস্য হতে ৯ সদস্যে উন্নতি করা। (২) নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সার্চ কমিটিতে সাবেক জ্যৈষ্ঠতম প্রধান বিচারপতি, সাবেক সফল নির্বাচন কমিশনার, ধর্মীয় গুণাবলী সম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া। (৩) সার্চ কমিটির প্রতিনিধির বিষয়ে কমিটি গঠনপূর্বে অধিকতর তদন্ত করা। (৪) মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপকালে সার্চ কমিটির প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। (৫) নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য সার্চ কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবিত তালিকা মহামান্য রাষ্ট্রপতি সর্বাধিক অনুসন্ধান রিপোর্ট সমন্বয় করে সৎ গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ, বিচক্ষণ, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও পূর্বের কর্মকান্ড সর্বাধিক বিশ্লেষণ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দান করতে হবে।

Election Monitoring Forum, Chairman meeting with the Chief Election Commissioner of Nepal Nepal Election Commission is interested in observing the twelfth election of Bangladesh
Bangladesh’s development progress has caught the attention of South Asian countries. This development has been possible due to the long tenure of the present government in power. The government should provide maximum assistance to the Election Commission to strengthen the democratic system. An acceptable election in a populous country like Bangladesh is very challenging. Without the cooperation of political parties and the general public, the Election Commission will not be able to conduct an acceptable election. There is no substitute for joint cooperation to ensure democracy and good governance in South Asian countries. Nepal has a keen interest in the upcoming 12th parliamentary elections in Bangladesh. Nepal’s Chief Election Commissioner Dinesh Kumar Thapaliya said that he would send the highest number of observers from the Election Commission of Nepal and other organizations in Nepal if invited.
During his visit to Nepal, today July 15, 2022 Chairman of the Election Monitoring Forum and Secretary General of the SAARC Human Rights Foundation, Prof. Mohammad Abed Ali, in an exchange of views with the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners at the Election Commission building in Nepal. Chief Election Commissioner said that Members of the Election Monitoring Forum will be able to observe the upcoming parliamentary elections in Nepal. It was attended by Najir Mia, former Member of Parliament & President of SAARC Human Rights Foundation Nepal, Advocate Mahamadin Ali, member of Muslim Commission, Haqiqullah Muslim, Former Minister of Nepal, Junaid Ansari, Former Member of Parliament, Mizanur Rahman Majumder, Central Vice President of SAARC Human Rights Foundation and editor of News BNA, Bangabandhu researcher Muhammad Masum Chowdhury, Central Director and lifetime member Iftekhar Abedin Chowdhury.

ইভিএম -এ ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে হ্যাকিং বা কারচুপির কোন সুযোগ নেই।
ভোটাধিকার প্রয়োগের পদ্ধতির স্বচ্ছতা, নিরাপদ ও প্রভাবমুক্ত করতে ইভিএম ব্যবহারের যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে। কেন্দ্রদখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই, জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারা, ব্যালট বক্স ছিনতাই সহ বিভিন্ন পেশিশক্তির হাত থেকে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সর্বাধিক সংসদীয় আসনে ইভিএম ব্যবহার নির্বাচন কমিশনের সমপোযোগী সিদ্ধান্ত। যে সকল দেশে ইভিএম এ ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে সে সকল দেশ ইভিএম ব্যবহারে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের ইভিএম -এ ভোটারের উপস্থিতি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না এবং ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে হ্যাকিং বা কারচুপির কোন সুযোগ নেই। এই মেশিনে ভোট হলে কেন্দ্র দখল করে ইচ্ছা মতো যত খুশি ভোট দেওয়া যাবে না। তেমনই একজনের ভোট অন্যজন দিতে পারবে না। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের মূলমন্ত্র “আমার ভোট, আমি দিব, যাকে খুশি তাকে দিব” শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম মনে করে, ইভিএম এর মাধ্যমে স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৩১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মোর্চা ‘ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম’র উদ্যোগে অদ্য ৮ অক্টোবর, ২০২২ শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় সিলেট প্রেস ক্লাবে “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে ইভিএম ব্যবহারের যৌক্তিকতা” শীর্ষক আলোচনা সভায় সিলেট বিভাগের বিশিষ্ট নাগরিকগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার সংগঠক অধ্যাপক ড. ইসলাম উদ্দিন।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে- ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী, বুয়েটের উপ-উপাচার্য ড. আব্দুল জব্বার খান, ইভিএম বিশেষজ্ঞ ড. মাহফুজুল ইসলাম, সিলেট জেলা আদালতের জেলা পিপি এ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শামসুল আলম, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব, সিলেট প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি আবু সালেহ ইয়াহিয়া, সিলেট জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট শাহিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকন, সিলেট মহানগরের সভাপতি সাংবাদিক মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল, সাধারণ সম্পাদক তপন চন্দ্র পাল।